পাবনার সাঁথিয়ায় এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী (১৫) কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুস ছালাম (৫৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করছে থানা পুলিশ।
সোমবার (২২ জুন) গ্রেপ্তারের পর তাকে পাবনা আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার (২১ জুন) ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতে নিজ বাড়ি থেকে আব্দুস ছালামকে গ্রেপ্তার করে।
ভুক্তভোগী কিশোরী উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের হলুদঘর গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেপ্তার আব্দুস ছালাম ওই কিশোরীর প্রতিবেশী।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যায় ওই কিশোরীর মা। এই সুযোগে আব্দুস ছালাম ১৭ জুন বিকেল চারটার দিকে জাম দেওয়ার লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে কাউকে এ ঘটনা বললে মেয়েটিকে ভয়ভীতি এবং মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। এরপর চিকিৎসা শেষে বাড়ি আসার পর ২০ জুন বিষয়টি তার মাকে জানায় ওই কিশোরী।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে করে জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) গ্রেপ্তারের পর তাকে পাবনা আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার (২১ জুন) ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতে নিজ বাড়ি থেকে আব্দুস ছালামকে গ্রেপ্তার করে।
ভুক্তভোগী কিশোরী উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের হলুদঘর গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেপ্তার আব্দুস ছালাম ওই কিশোরীর প্রতিবেশী।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ জুন চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যায় ওই কিশোরীর মা। এই সুযোগে আব্দুস ছালাম ১৭ জুন বিকেল চারটার দিকে জাম দেওয়ার লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে কাউকে এ ঘটনা বললে মেয়েটিকে ভয়ভীতি এবং মেরে ফেলার হুমকি দেন তিনি। এরপর চিকিৎসা শেষে বাড়ি আসার পর ২০ জুন বিষয়টি তার মাকে জানায় ওই কিশোরী।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে করে জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক